এই গর্ভনমেন্টের হাতে দেশ ও দেশের লোক নিরাপদ না : টুকু
তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন নেই, নেই। স্বাধীনতার হেতু চেতনা ছিল গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্রকে এই সরকার হত্যা করেছে।
মঙ্গলবার বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে যুবদল কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন টুকু।
টুকু বলেন, এই রাষ্ট্রশাসক গোষ্ঠী গণতন্ত্র হত্যা করেছে, মানুষের ভোটের আধিপত্য কেড়ে নিয়েছে। আজ বঞ্চিত। এদেশে কেবলমাত্র সংসদ নির্বাচন নয়, স্থানীয় নির্বাচন গুলোতেও জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য পারেনি।”
যুবদল সভাপতি বলেন, রক্ত দিয়ে আমরা এ দেশকে স্বাধীন করেছি। প্রত্যাশা ছিল স্বাধীনভাবে বসবাস করা, গণতান্ত্রিক দখল প্রতিষ্ঠা করা। সাম্যের প্রতিষ্ঠা করা, অর্থনৈতিক বৈষম্য থাকবে না। অথচ আজকের বাংলাদেশ এইরকম অবস্থা, জগতের মধ্যে সবচেয়ে বহু বৈষম্য। ধনী সবচাইতে মহাজন আর দৈন্য সবচাইতে গরিব।
যুবদলের এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশ হতে গণতন্ত্র বিদায় করেছে। রাষ্ট্রের দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক গোলযোগ তৈরি করেছে-তাতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যারা ধনী তাদের কথা আলাদা, তা সত্ত্বেও যে মানুষ মাস শেষে সুনির্দিষ্ট বেতন পান তাদের সংসার ঘটমান না।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রশাসক বিভাগ ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে উনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সাহায্যে এই সরকারের অধোগতি ঘটিয়ে মানুষের দখল ফিরিয়ে আনা হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, দীপু সরকার, কামরুজ্জামান দুলাল, মহসিন মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ হাসান স্বাধীন, সহ সাধারণ এডিটর মিঞা মো. রাসেল প্রমুখ



0 coment rios: