আপনি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা : প্রধানমন্ত্রীকে যোগী সুনাক
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একজন সফল অর্থনৈতিক নেতা উল্লেখ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেন, আপনারা আমাদের অনুপ্রেরণা।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ মে) বিকেলে লন্ডনের পালমারে কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট মার্লবরো প্যালেসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ঋষি সুনক এ কথা বলেন।
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদার মুনা তাসনিমের বরাত দিয়ে ঋষি সুনক বলেন, আমি আপনাকে অনেক বছর ধরে অনুসরণ করছি। আপনি একজন সফল অর্থনৈতিক নেতা।
সৈয়দা মুনা তাসনিম আরও বলেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তার দুই মেয়ে ও তার স্ত্রী শেখ হাসিনার ভক্ত। সুনক চান তার মেয়েরা শেখ হাসিনার মতো নেতা হোক।
"আপনি আমার দুই মেয়ের জন্য একটি মহান অনুপ্রেরণা ছিল," সুনক বলেন.
বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়ায় শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও, ভূইয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া এবং বাংলাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য সরকারি অর্থায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মাধ্যমে আবাসন প্রদান সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে তার সম্মানজনক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের উপরে রয়ে গেছে উল্লেখ করে সুনাক বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য।
তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে উন্নয়নের ‘মডেল’ হিসেবে বলেছেন।
৩৫ মিনিটের আলোচনায় দুই নেতা উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে উন্নয়নের ‘মডেল’ হিসেবে বলেছেন।
৩৫ মিনিটের আলোচনায় দুই নেতা উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
সম্রাট তৃতীয় চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাজ্যের সম্রাট ৩য় চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার (০৬ মে) লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে এই অনুষ্ঠানে রাজা চার্লস ও রানী কনসর্ট ক্যামিলা পার্কারকে মুকুট পরানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে শুক্রবার (০৫ মে) রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান তার সাথে বৈদেশিক কর্মচারীদের জন্য ভূপতি তৃতীয় চার্লসের দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সংবর্ধনার আগে প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথ দেশগুলোর নেতাদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের যোগদানের পাশাপাশি কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকেও অংশ নেন। লন্ডনের কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটের মার্লবোরো হাউসে এই আগা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ টাইম কমনওয়েলথ অতুলনীয় সম্রাট ৩য় চার্লসের সাথে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
কমনওয়েলথ চেয়ার ইন কার্যালয় রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামের সভাপতিত্বে কমনওয়েলথ নেতাদের একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক উৎকৃষ্ট সম্মেলন ঘরে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ পরিবারের ১টি যৌথ ফটো তোলা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে শুক্রবার (০৫ মে) রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান তার সাথে বৈদেশিক কর্মচারীদের জন্য ভূপতি তৃতীয় চার্লসের দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সংবর্ধনার আগে প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথ দেশগুলোর নেতাদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের যোগদানের পাশাপাশি কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকেও অংশ নেন। লন্ডনের কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটের মার্লবোরো হাউসে এই আগা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ টাইম কমনওয়েলথ অতুলনীয় সম্রাট ৩য় চার্লসের সাথে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
কমনওয়েলথ চেয়ার ইন কার্যালয় রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামের সভাপতিত্বে কমনওয়েলথ নেতাদের একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক উৎকৃষ্ট সম্মেলন ঘরে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ পরিবারের ১টি যৌথ ফটো তোলা হয়।
শেখ হাসিনা একই দিন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী তপস্বী সুনাকের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
উল্লেখ্য, ৭৪ সালের ভূপতি তৃতীয় চার্লস তার মা রানী ২য় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর গত ৮ সেপ্টেম্বর গ্রেট ব্রিটেন ও জবাব আয়ারল্যান্ডের সম্রাট হন। রাজকীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী জাতীয় মনঃকষ্ট এবং বিশাল প্রস্তুতির মাস পর একজন ব্রিটিশ রাজার রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। রাজা ৩য় চার্লেস এই অভিষেক অনুষ্ঠানে আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম, জাপান, হাঙ্গেরি ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের নানারকম দেশের রাষ্ট্রপ্রধানগণ উপস্থিত হন।
এদিকে, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে গত ৪ মে লন্ডনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উনি আগামী ৯ মে দেশে ফিরবেন বলে প্রার্থনা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ৭৪ সালের ভূপতি তৃতীয় চার্লস তার মা রানী ২য় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর গত ৮ সেপ্টেম্বর গ্রেট ব্রিটেন ও জবাব আয়ারল্যান্ডের সম্রাট হন। রাজকীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী জাতীয় মনঃকষ্ট এবং বিশাল প্রস্তুতির মাস পর একজন ব্রিটিশ রাজার রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। রাজা ৩য় চার্লেস এই অভিষেক অনুষ্ঠানে আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম, জাপান, হাঙ্গেরি ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের নানারকম দেশের রাষ্ট্রপ্রধানগণ উপস্থিত হন।
এদিকে, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে গত ৪ মে লন্ডনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উনি আগামী ৯ মে দেশে ফিরবেন বলে প্রার্থনা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় নিঝুম দ্বীপ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের আওতায় এসেছে নোয়াখালীর হাতিয়া থানার অগম্য অঞ্চল নিঝুম দ্বীপ। আজ শনিবার সাবমেরিন ক্যাবলের সাহায্যে সেখানে কারেন্ট সরবরাহ চালু হয়। কারেন্ট উন্নতি বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তড়িৎ অ্যাডভান্টেজ পৌঁছানোর ফলে সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে খুশির জোয়ার বয়ে যায়। এ বিদ্যুতের মাধ্যমে ওই এলাকার আর্থ-সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যাপক অগ্রগতি হবে বলে আশা করছেন দুর্গম এই দ্বীপের বাসিন্দারা।
পিডিবির একজন কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, হাতিয়ায় স্থাপিত ১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র হতে দুপুর ১টার দিকে নিঝুম দ্বীপে বিদ্যুৎ যোগাড় করা হয়। নিমিত্ত ভূখণ্ড হতে বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সাগরের তলদেশে হাতিয়া থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ১১ কেভি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রত্যন্ত এই এলাকার বাসিন্দারা গর্ভনমেন্টের শতভাগ কারেন্ট সুবিধাভোগীর আওতায় আসলেন।
তিনি জানান, আপাতত ওই জায়গা বিদ্যুতের কোনো গ্রাহক নেই। কিন্তু বিদ্যুৎ পৌছানোর কারণে তারা তড়িৎ নিতে উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। কিছুদিনের মধ্যেই নিঝুম দ্বীপে বসবাসরত অন্তত ৫ হাজার ফেমেলির কক্ষে তড়িৎ সরবরাহ শিওর করা হবে।
নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিনাজ উদ্দীন দেশ রূপান্তরকে বলেন, দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের যে কল্পনা ছিল তা পূরণ হলো। লোক কক্ষে ঘরে তড়িৎ পাবে। শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রসার ঘটবে। এখানকার বেশির ভাগ মানুষই জেলে। তড়িৎ সংযোগের ফলে এখানকার মানুষের কর্মসংস্থান এইরকম বাড়বে। পর্যটকেরা স্বাচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারবে। এতে পর্যটক খাতেরও উন্নতি হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে এখানকার মানুষেরা রাত্রিতে কুপি জ্বালিয়ে তাদের দৈনন্দিন কাজ করেন। কতিপয় বাড়িতে ব্যক্তিগত অ্যারেঞ্জমেন্টে সৌর বিদুৎ প্রয়োগ করছেন। এর বাইরে জেনারেটরের মাধ্যমেও বাণিজ্যিকভাবে অনেক মানুষ কারেন্ট সরবরাহ করছে। তা সত্ত্বেও তা দিয়ে শুধুমাত্র বাতি জ্বালানো যায়। প্রতিটি লাইট জ্বালাতে ২০ হতে ২৫ টাকা খরচ হয় প্রতিদিন। এগুলোর ভোল্টেজও কম।
দেশব্যাপী শতভাগ মানুষকে কারেন্ট সুবিধার আওতায় আনতে ২০২০ সালে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে 'হাতিয়া দ্বীপ, নিঝুম আই-ল্যান্ড ও কুতুবদিয়া আই-ল্যান্ড শতভাগ বিশ্বাসী ও টেকসই বিদ্যুতায়ন' প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় গত ১৩ এপ্রিল রাত সোয়া ৯টার দিকে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এবং গত বছরের নভেম্বর মাসে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপের বাসিন্দারা কারেন্ট সুবিধার আওতায় এসেছে।
মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এসব দ্বীপে স্বাভাবিক লাইন নির্মাণের সাহায্যে তড়িৎ যোগাড়ের কোনো চান্স না থাকায় সাবমেরিন ক্যাবল প্রয়োগ করা হয়েছে। এটা বিলাসবহুল হওয়া সত্ত্বেও শতভাগ মানুষকে কারেন্ট সুবিধার আওতায় আনতে রাষ্ট্রশাসক গোষ্ঠী এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তড়িৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের আওতায় এসেছে নোয়াখালীর হাতিয়া থানার অগম্য অঞ্চল নিঝুম দ্বীপ। আজ শনিবার সাবমেরিন ক্যাবলের সাহায্যে সেখানে কারেন্ট সরবরাহ চালু হয়। কারেন্ট উন্নতি বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তড়িৎ অ্যাডভান্টেজ পৌঁছানোর ফলে সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে খুশির জোয়ার বয়ে যায়। এ বিদ্যুতের মাধ্যমে ওই এলাকার আর্থ-সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যাপক অগ্রগতি হবে বলে আশা করছেন দুর্গম এই দ্বীপের বাসিন্দারা।
পিডিবির একজন কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, হাতিয়ায় স্থাপিত ১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র হতে দুপুর ১টার দিকে নিঝুম দ্বীপে বিদ্যুৎ যোগাড় করা হয়। নিমিত্ত ভূখণ্ড হতে বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সাগরের তলদেশে হাতিয়া থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ১১ কেভি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রত্যন্ত এই এলাকার বাসিন্দারা গর্ভনমেন্টের শতভাগ কারেন্ট সুবিধাভোগীর আওতায় আসলেন।
তিনি জানান, আপাতত ওই জায়গা বিদ্যুতের কোনো গ্রাহক নেই। কিন্তু বিদ্যুৎ পৌছানোর কারণে তারা তড়িৎ নিতে উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। কিছুদিনের মধ্যেই নিঝুম দ্বীপে বসবাসরত অন্তত ৫ হাজার ফেমেলির কক্ষে তড়িৎ সরবরাহ শিওর করা হবে।
নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিনাজ উদ্দীন দেশ রূপান্তরকে বলেন, দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের যে কল্পনা ছিল তা পূরণ হলো। লোক কক্ষে ঘরে তড়িৎ পাবে। শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রসার ঘটবে। এখানকার বেশির ভাগ মানুষই জেলে। তড়িৎ সংযোগের ফলে এখানকার মানুষের কর্মসংস্থান এইরকম বাড়বে। পর্যটকেরা স্বাচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারবে। এতে পর্যটক খাতেরও উন্নতি হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে এখানকার মানুষেরা রাত্রিতে কুপি জ্বালিয়ে তাদের দৈনন্দিন কাজ করেন। কতিপয় বাড়িতে ব্যক্তিগত অ্যারেঞ্জমেন্টে সৌর বিদুৎ প্রয়োগ করছেন। এর বাইরে জেনারেটরের মাধ্যমেও বাণিজ্যিকভাবে অনেক মানুষ কারেন্ট সরবরাহ করছে। তা সত্ত্বেও তা দিয়ে শুধুমাত্র বাতি জ্বালানো যায়। প্রতিটি লাইট জ্বালাতে ২০ হতে ২৫ টাকা খরচ হয় প্রতিদিন। এগুলোর ভোল্টেজও কম।
দেশব্যাপী শতভাগ মানুষকে কারেন্ট সুবিধার আওতায় আনতে ২০২০ সালে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে 'হাতিয়া দ্বীপ, নিঝুম আই-ল্যান্ড ও কুতুবদিয়া আই-ল্যান্ড শতভাগ বিশ্বাসী ও টেকসই বিদ্যুতায়ন' প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় গত ১৩ এপ্রিল রাত সোয়া ৯টার দিকে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এবং গত বছরের নভেম্বর মাসে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপের বাসিন্দারা কারেন্ট সুবিধার আওতায় এসেছে।
মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এসব দ্বীপে স্বাভাবিক লাইন নির্মাণের সাহায্যে তড়িৎ যোগাড়ের কোনো চান্স না থাকায় সাবমেরিন ক্যাবল প্রয়োগ করা হয়েছে। এটা বিলাসবহুল হওয়া সত্ত্বেও শতভাগ মানুষকে কারেন্ট সুবিধার আওতায় আনতে রাষ্ট্রশাসক গোষ্ঠী এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তড়িৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।





0 coment rios: