মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষকে 28 অক্টোবর বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে ঘটনাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করতে এবং সহিংসতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি করতে উৎসাহিত করেছে।
"আমরা ২৮শে অক্টোবর ঢাকায় যে রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা করি। একজন পুলিশ অফিসার, একজন রাজনৈতিক কর্মীকে হত্যার রিপোর্ট করা এবং একটি হাসপাতাল ও বাসে আগুন দেওয়া অগ্রহণযোগ্য, যেমন সাংবাদিক সহ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা" বলেছেন ম্যাথিউ। গত রাতে ওয়াশিংটনে এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মিলার।
"আমরা কর্তৃপক্ষকে 28শে অক্টোবরের সমাবেশে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করতে এবং সহিংসতার জন্য দায়ীদের জবাবদিহি করতে উত্সাহিত করি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব প্রত্যেকের -- ভোটার, রাজনৈতিক দল, সরকারের," তিনি বলেন। একটি প্রশ্নের উত্তর।
মিলার বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে সমর্থন করতে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নেবে।
ইসির সঙ্গে বৈঠকে হাস ড
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করছেন। সকাল ১০টার দিকে তিনি ইসি কার্যালয়ে পৌঁছান।
হাসের বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান, ইসি সচিবালয়ের সচিব জাহাঙ্গীর আলম অংশ নিচ্ছেন।
বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি ইসি কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রামে দুটি বাসে আগুন
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দেশব্যাপী তিনদিনের রেল, সড়ক ও নৌপথ অবরোধের প্রথম দিনে আজ বন্দরনগরীর বায়েজিদ ও ইপিজ এলাকায় দুটি বাসে অগ্নিসংযোগকারীরা আগুন দিয়েছে।
ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং উভয় আগুনই দমকল কর্মীরা নিভিয়ে ফেলেছে।
পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ইপিজেডের সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় দুই ব্যক্তি।
রাত সাড়ে ৩টার দিকে বায়েজিদ বালুচর এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়ানো আরেকটি সিটি বাসে আগুন দেওয়া হয়।
বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদৌস জাহান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, "দুর্বৃত্তরা বাসে আগুন দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। তারা আধা ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।"
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) শাকিলা সুলতানা জানান, চালক বাসটি চালু করার সময় যাত্রীর ছদ্মবেশে ইপিজেড এলাকায় একটি বাসে ওঠেন দুজন। পরে তারা আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, বাসে কোনো যাত্রী ছিল না।
"পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে," তিনি বলেন।





0 coment rios: