বিএনপির ডাকা সপ্তম ধাপের ৪৮ ঘন্টা অবরোধ সফলে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা। আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে পুরানা পল্টন এলাকা থেকে শুরু হয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মিছিলটি বায়তুল মোকাররম এলাকায় গিয়ে শেষ হয় ।
এসময় মিছিলে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মহসীন মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক কামাল আনোয়ার আহাম্মদ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, জিয়াউর রহমান জিয়া, বিল্লাল হোসেন তারেক, সহ-সাধারণ সম্পাদক মিয়া রাসেল, প্রচার সম্পাদক করিম সরকার সহ আরও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এসময় নেতাকর্মীরা সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ গ্রেপ্তারকৃত সকল নেতাকর্মীর মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এদিকে মিছিল শেষে যুবদলের তিনজন নেতাকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ করেন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক কামাল আনোয়ার আহাম্মদ। তিনি বলেন, মিছিল থেকে পুলিশ যুবদলের প্রচার সম্পাদক করিম সরকার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেওয়ান ও সদস্য শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে।
অবরোধ সমর্থনে বগুড়ায় রাস্তা বন্ধ করে বিএনপি’র মিছিল
অবরোধের সমর্থনে বগুড়ায় একাধিক স্থানে রাস্তা অবরোধ করে মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি।রোববার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৮টায় বগুড়া পৌরসভার ফনিরমোড় এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে মিছিল হয়।
এতে নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ভিপি সাইফুল ইসলাম ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। পরে সেখানে সমাবেশ করেন তারা। এ সময় সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এছাড়া সকাল সাড়ে ৮টায় দ্বিতীয় বাইপাসের বনানীতে মহাসড়ক অবরোধ করে মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি। এতে নেতৃত্ব দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।
এদিকে অবরোধ সমর্থনে মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান গাবতলীতেও।
উল্লেখ্য, সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর ডাকা সপ্তম দফার টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ শুরু হয়েছে। রোববার (২৬ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে এই অবরোধ চলবে মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশে হামলা, হত্যা, নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ এবং সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ২৯ অক্টোবর হরতাল এবং ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর মোট তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচি পালন করে বিএনপি-জামায়াত ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা।
তারপর ৫ ও ৬ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় এবং ৮ ও ৯ নভেম্বর তৃতীয় দফায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করে সরকারবিরোধী দলগুলো। পরে ১১ ও ১২ নভেম্বর চতুর্থ দফা এবং ১৫ ও ১৭ নভেম্বর পঞ্চম দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ডাকা দেয় তারা।
পরে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত জাতীয় নির্বাচনের তফসিল প্রত্যাখান করে ১৯ ও ২০ নভেম্বর সারাদেশে হরতাল পালন করে সরকারবিরোধী দলগুলো। এরপর ২২ নভেম্বর ভোর ৬টা থেকে ষষ্ঠ দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ পালন করে দলটি। গত ২৪ নভেম্বর ভোর ৬টায় শেষ হয় ওই অবরোধ কর্মসূচি।




0 coment rios: