এর আগে দুপুরে তাদের নাম প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে।
সাতজনের মধ্যে নারী চারজন। তারা সবাই সংরক্ষিত আসনের সদস্য হিসেবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দ্বাদশ সংসদের মন্ত্রিসভা গঠিত হয় ১১ জানুয়ারি। প্রধানমন্ত্রীসহ এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৭ জন। ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১১ জন প্রতিমন্ত্রী তখন শপথ নেন।
নতুন সদস্যরা যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ জনে। প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা হলো ১৮ জন।
শপথ গ্রহণের পরে তাদের মন্ত্রণালয়ও বণ্টন করে দেয়া হয়েছে।
নতুন এই সাত প্রতিমন্ত্রী হলেন- মো: শহীদুজ্জামান সরকার, মো: আবদুল ওয়াদুদ, মো: নজরুল ইসলাম চৌধুরী, বেগম রোকেয়া সুলতানা, বেগম শামসুন নাহার, বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান ও বেগম নাহিদ ইজহার খান।
কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে নওগাঁ-২ আসনে ভোট গ্রহণ বাতিল করা হয়েছিল। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি সেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শহীদুজ্জামান সরকার পেশায় একজন আইনজীবী।
তিনি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
তিনি ২০০৮ এ নবম সংসদে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হন। ২০১৮ পর্যন্ত দুই মেয়াদে রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি।।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
একাদশ সংসদে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি।
তবে এবার নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়ে তৃতীয়বারের মতো সংসদীয় আসন নিশ্চিত করেন আবদুল ওয়াদুদ।
এর আগে তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সদস্য ছিলেন তিনি।
সদস্য ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতেও।
টানা তিনবার চট্টগ্রাম-১৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য হয়েছেন নজরুল ইসলাম চৌধুরী। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী।
আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক তিনি।
এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান এই সাবেক ছাত্রনেতা।
রংপুর মেডিক্যালে পড়ার সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রোকেয়া সুলতানা।
তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাকের বোন। ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।
কর্মজীবনে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। সর্বশেষ তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট থেকে ২০১৫ সালে অবসরে যান।
দশম ও একাদশ সংসদেও সংরক্ষিত আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি।
সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির।
এছাড়া, তিনি কনসালটেন্সি ও শিক্ষকতা পেশার সাথে যুক্ত।
নাহিদ ইজহার খান পেশাগত জীবনে একজন শিক্ষক।
তার বাবা কর্নেল নাজমুল হুদা ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের সামরিক অভ্যুত্থানে মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। ৭ নভেম্বর তাদেরকে একসাথেই হত্যা করা হয়।



0 coment rios: