মীরা রাজপুতের থেকে শিখুন কেশের যত্ন
মীরা রাজপুত। ২০১৫ সালে শহীদ কাপুরের সাথে গাঁটছড়া বাঁধেন। পেশায় মীরা একজন ইউটিউবার। শরীর ও ফ্যাশন সচেতন হিসেবে বেশ পরিচিত। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্বামীর পাশাপাশি তাঁর সাজপোশাক নিয়েও মানুষের কম ঝোঁক থাকে না। নজর কাড়ে তাঁর দিঘল চুল। জেনে গ্রহন করুন তাঁর আলোকিত গভীর কেশের রহস্য।
মীরা সব টাইম ভারসাম্যপূর্ণ অন্ন বেছে নেন, যার ইফেক্ট পড়ে তাঁর সুন্দর চুলেও
মীরা নিজেই তার চুলে প্রয়োগ করার জন্য একটি বিশেষ তেল সৃষ্টি করে
চুল উদ্ভাসিত ও গাঢ় রাখতে নিয়ম মেনে নেন মীরা।
চুল ধোয়ার আগে মাথায় তেল দেন। একদম চুলের গোড়া পর্যন্ত। রেখে দেন দুই-তিন ঘণ্টা। এতে মাথার ত্বকে পুষ্টি পৌঁছায়।
নিয়মিত করেন ডিপ কন্ডিশনিং। এটি চুলকে রাখে হাইড্রেটেড। সেই সাথে চুলে জোগায় প্রচুর পুষ্টি।
মীরা নিজেই তার চুলে প্রয়োগ করার জন্য একটি বিশেষ তেল সৃষ্টি করে
চুলে ব্যবহারের জন্য মীরা নিজেই বানান বিশেষ তেল। নারকেল তেলের সাথে জবা ফুলের পেস্ট দিয়ে। সাথে এইরকম থাকে নিম, আমলার গুঁড়ো, সজনে ও মেথি।
মসৃণতা ও চাকচিক্যতা ধরে রাখার জন্য প্রয়োগ করেন হেয়ার মাস্ক। এ ক্ষেত্রে তাঁর পছন্দ ভেষজ উপাদানসমৃদ্ধ মাস্ক।
বাইরে গেলে, বিশেষ করে শুটে যাওয়ার প্রথমে প্রয়োগ করেন হিট প্রোটেকশন স্প্রে। চুলকে কড়া রোদ ও গরমের হাত হতে সুরক্ষিত রাখতে।
মীরা তার চুল মসৃণ তার সাথে চকচকে রাখার জন্য হেয়ার মাস্ক প্রয়োগ করে
চুলের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ে আপনার খাদ্যাভ্যাসেরও। মীরা সব টাইম ভারসাম্যপূর্ণ আহার বেছে নেন। যার প্রভাব পড়ে তাঁর চমৎকার চুলেও।
মীরার মতো নিয়মিত কেশের স্নেহ নিয়ে আপনিও হতে পারেন উজ্জ্বল তীব্র দিঘল চুলের অধিকারী।
মসৃণতা ও চাকচিক্যতা ধরে রাখার জন্য প্রয়োগ করেন হেয়ার মাস্ক। এ ক্ষেত্রে তাঁর পছন্দ ভেষজ উপাদানসমৃদ্ধ মাস্ক।
বাইরে গেলে, বিশেষ করে শুটে যাওয়ার প্রথমে প্রয়োগ করেন হিট প্রোটেকশন স্প্রে। চুলকে কড়া রোদ ও গরমের হাত হতে সুরক্ষিত রাখতে।
মীরা তার চুল মসৃণ তার সাথে চকচকে রাখার জন্য হেয়ার মাস্ক প্রয়োগ করে
চুলের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ে আপনার খাদ্যাভ্যাসেরও। মীরা সব টাইম ভারসাম্যপূর্ণ আহার বেছে নেন। যার প্রভাব পড়ে তাঁর চমৎকার চুলেও।
মীরার মতো নিয়মিত কেশের স্নেহ নিয়ে আপনিও হতে পারেন উজ্জ্বল তীব্র দিঘল চুলের অধিকারী।
অ্যাভেঞ্জার্স তারকার টোটকা মেনে এভাবে করতে পারেন রূপচর্চা
ক্যারেন গিলান। স্কটিশ এই অভিনেত্রী প্রথম পরিচিতি পেয়েছিলেন ব্রিটিশ সাই-ফাই সিরিজ ‘ডক্টর হু’ দিয়ে। আর বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পান মার্ভেল ইউনিভার্সের নেবুলা স্বভাব করে। কিন্তু তাঁর আসল সৌন্দর্যে হাজির হন ‘জুমানজি’ সিরিজে। রুবি রাউন্ডহাউজ চরিত্রে। ওই স্থান ওনাকে দেখে মনে করতেই পারেন, তাঁর নিটোল সৌন্দর্যের জন্যই ওনাকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। কথা একদম ভুল নয়। কিন্তু সে সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য তাঁকে ডেইলি নিয়ম করে রূপচর্চা করতে হয়। ক্যারেনের ভাষায়, ‘আপনি জীবনে একটাই ত্বক পাবেন। তার যত্নও আপনাকে সেরকম করেই নিতে হবে।’ কীভাবে, তা–ও বাতলেছেন ক্যারেন। জেনে গ্রহন করুন তারই ধাপগুলো।
ক্যারেন গিলান:
সে জন্য প্রথমেই আপনাকে মুখ বেশ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। সে জন্য প্রথমে মুখে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। এরপর পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ধুয়ে নিন।
পরের ধাপটা ক্যারেনের সর্বাপেক্ষা পছন্দের। মুখে হিলিং হাজত মাখা। সঙ্গে আর কিছু নয়, কেবলমাত্র ফ্লেভানয়েড। হাতে হিলিং ও ফ্লেভানয়েডের মিশ্রণ নিয়ে বেশ ভালো করে মুখে মেখে নিন। ক্যারেনের ভাষায়, ‘এটা আপনার ত্বকের সাথে বাইরের উপাদানগুলোর একটা ব্যবধান রাখবে। সেই সাথে আপনার ত্বকের কাছ থেকে রূপসজ্জার উপাদানগুলোকেও সরে রাখবে।’
ত্বককে হাইড্রেটেড রাখার জন্য তারপর খানিকটা ময়েশ্চারাইজার মাখুন। চোখের ওপরে-নিচে মাখুন আই ক্রিম। প্রয়োজন বোধ করলে মুখের কোনো ভাগে এক্সট্রা ময়েশ্চারাইজার দেওয়ার জন্য পারেন। ঠোঁটে দিন লিপ বাম। ব্যস, আপনার ত্বক এখন সেজে ওঠার জন্য প্রস্তুত।
ক্যারেন গিলান:
ক্যারেনের মতে, রূপসজ্জা করা ‘অনেকটা ক্যানভাসে ছবি আঁকার মতো’। প্রথমেই মুখে পাতলা করে ফাউন্ডেশন দিন। চোখের চারদিকে ফাউন্ডেশন ঠিকমতো দেওয়ার জন্য ব্রাশ ব্যবহার করুন। তার ওপরে পাতলা করে পাউডার দিন, যাতে ফাউন্ডেশনের উদ্ভাসিত ভাবটা ঢেকে যায়। এর ওপরে পাতলা ব্লাশার ব্যবহার করুন।
ভ্রুতে পেনসিল প্রয়োগ করুন। এরপর কয়েদ দিন। সে টাইম ওপরের দিকে ব্রাশ করুন, যাতে ভ্রুর আকার সঠিক থাকে। পাপড়িতে আইল্যাশ দিয়ে মাশকারা দিন। ওপর-নিচের দুই পাপড়িতেই। ক্যারেনের ভাষায়, ‘নিচের পাপড়িতে মাশকারা দিলে ষাটের দশকের একটা ভাইব আসে। সেটি আমার অতিশয় সুন্দর লাগে।’
সবশেষে ক্যারেন ব্যবহার করেন ফ্রেকল পেন। মানে মানব নির্মিত মুখে ছিটা ছিটা দাগ সৃষ্টি করেন। ‘এগুলো আমার ভীষণ পছন্দ। সোনালি কেশের মানুষদের প্রায়ই এটি থাকে। তা সত্ত্বেও আমার মুখে খুব একটা নেই,’ বলেন ক্যারেন। সে কারণেই ফ্রেকল পেন দিয়ে সেগুলো এঁকে নেন।
ক্যারেন গিলান:
সে জন্য প্রথমে ফ্রেকল পেন দিয়ে মুখে আঁচড় দেন। অতঃপর পাফ করে দাগগুলো মেকআপের সাথে মিলিয়ে দিন। অবশ্য আপনি সেগুলো আঁকবেন কি না, তা নিতান্তই আপনার ব্যাপার। সেগুলো আপনার চেহারায় কতটা খোলতাই হবে, সেটা নিজেই বিবেচনা করে নেবেন।
ব্যস! হয়ে গেল ক্যারেন গিলানের টোটকা মেনে প্রাকৃতিক রূপচর্চা।



.jpg)



0 coment rios: