আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী শিবিরে দু'গ্রুপের মধ্যে গুলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আরও ২ জন গুলিবিদ্ধ হন।নিহতরা হলেন- আবুল কাসেম, মো. জোবাইর ও মো. জয়নাল। তিনজনই উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পের বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ২টার দিকে উখিয়া ১৭ নম্বর মধুরছড়া এবং জামতলি ১৫ নম্বর ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
উখিয়া থানার পরির্দশক (ওসি তদন্ত) নাছির উদ্দীন মজুমদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, রাতে উখিয়া ১৭ নম্বর মধুরছড়া ও জামতলি ১৫ নম্বর ক্যাম্পে আরসা ও আরএসও মুখোমুখি অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ওই ৩ জন নিহত হয়।
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মানুষ বলছে কিসের ভোট : অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন
নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় এলাকায় ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন স্বাক্ষর পদ্ধতি বাতিল চেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি নেত্রকোনা-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনে।
বুধবার সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রার্থীতা ফিরে পেতে আপিল আবেদন শেষে তিনি এই কথা বলেন। এর আগে ভোটার স্বাক্ষর জটিলতায় রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে।
অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার মতো একজন মানুষের ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন না থাকার অভিযোগে প্রার্থীতা বাতিল করেছে এটা গুরুতর বিষয়। তখন আমার কাছে মনে হয়েছে এমন পদ্ধতি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য একটা কৌশল।
তিনি বলেন, এক শতাংশ ভোটার সমর্থনে যেই অভিযোগে আমার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তখন সাধারণ মানুষ বলছে ষড়যন্ত্র করে একজন ভালো মানুষের মনোনয়ন বাতিল করছে। আমি মনে করি এই আইনটা পরিবর্তন হওয়া উচিত। কেউ যদি না করেন তাহলে নিজেই উদ্যোগ নিয়ে কাজ করবো।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনের ঘোষণার পর নির্বাচন জমে গিয়েছিলো। যখন দেখছে সামান্য কারণে ভালো প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়, তখন আর পরিবেশ ভালো থাকে না। মানুষ বলছে কিসের ভোট।
আরও পড়ুন>> বিচারক সোহেল রানার সাজার ভাগ্য নির্ধারণ ১২ ডিসেম্বর
আরও পড়ুন>> সাড়াশি অভিযানে সারাদেশে ২ কোটি মানুষ উদ্বাস্তু: বিএনপি





0 coment rios: